বুধবার, ১০ Jun ২০২৬, ০২:৫৮ অপরাহ্ন
মো. শিহাব উদ্দিন,গোপালগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি ।।
স্বল্প খরচে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসাসেবা দিয়ে গোপালগঞ্জের মানুষের আস্থা অর্জন করেছে মোল্যা হার্ট কেয়ার ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার। শহরের মেডিকেল কলেজ সড়কে অবস্থিত প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে জেলার অন্যতম ব্যস্ত ও নির্ভরযোগ্য স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার এম এম সোহাগ মোল্যা জানান, সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়েই এই ডায়াগনস্টিক সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে স্বল্প সময়ে নির্ভুল রিপোর্ট প্রদানই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য।
গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালের পেছনে অবস্থিত কেন্দ্রটিতে নতুন জাপানি ও জার্মান প্রযুক্তির ডিজিটাল মেশিনের মাধ্যমে বিভিন্ন রোগের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। এখানে ডিজিটাল এক্স-রে (ডিআর), ইসিজি, ইকো-কার্ডিওগ্রাম, ৪-ডি কালার ডপলার, কালার আল্ট্রাসনোগ্রাম, বায়োকেমিস্ট্রি, মাইক্রোবায়োলজি, হরমোন পরীক্ষা, ব্লাড কালচার, ইউরিন কালচার, স্টুল কালচার ও ফাঙ্গাস কালচারসহ বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুবিধা রয়েছে।
এ ছাড়া বিদেশগামীদের মেডিকেল চেকআপ, ফুল বডি চেকআপ প্যাকেজ, নেবুলাইজার সুবিধা এবং বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের নিয়মিত চেম্বার পরিচালিত হচ্ছে। নারী রোগীদের জন্য মহিলা চিকিৎসকের মাধ্যমে আল্ট্রাসনোগ্রামসহ বিভিন্ন সেবার ব্যবস্থাও রয়েছে।
প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ জানায়, ২৪ ঘণ্টা জেনারেটর সুবিধা থাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময়ও সেবা কার্যক্রম বন্ধ থাকে না। ফলে রোগীরা নিরবচ্ছিন্নভাবে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করতে পারেন।
স্থানীয় কয়েকজন সেবাগ্রহীতা বলেন, তুলনামূলক কম খরচে দ্রুত রিপোর্ট ও উন্নত সেবা পাওয়ায় তাঁরা এ প্রতিষ্ঠানের প্রতি আস্থা রাখছেন। জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকেও রোগীরা এখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাতে আসছেন।
স্বাস্থ্যসেবা–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, আধুনিক প্রযুক্তি ও দক্ষ জনবলের সমন্বয়ে মোল্যা হার্ট কেয়ার ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার গোপালগঞ্জে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। প্রতিষ্ঠানটি ভবিষ্যতে আরও উন্নত সেবা চালুর মাধ্যমে স্বাস্থ্য খাতে অবদান রাখবে বলেও তাঁরা আশা প্রকাশ করেন।
All rights reserved © 2020-2024 dainikparibarton.com
অনুমতি ব্যতিত এই সাইটের কোনো কিছু কপি করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।