বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১১:৩৩ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তিঃ
আপনার আশেপাশে ঘটে যাওয়া তথ্য আমাদের জানান। যাচাই সাপেক্ষে আমরা প্রকাশ করার চেষ্টা করবো। ## আমাদের মেইল করুনঃ [email protected] অথবা [email protected]
আজকের সংবাদঃ
পিপিএম পদক পেলেন গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার আল-বেলী আফিফা শ্রীমঙ্গল রক্তদান সমাজকল্যাণ সংস্থার উদ্দেগে আশিদ্রোন ইউনিয়ন কার্যালয়ে ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্প চা শ্রমিকের বার হাজার টাকা নিয়ে উদাও মা ইলেকট্রনিকস মার্কেটিং কনসেপ্ট লাউ চাষে আশার আলো দেখছে তালার শাহিনুর গাজী শোক সংবাদ নোবিপ্রবি আইসিটি সেলের নবনিযুক্ত পরিচালক মো.বেল্লাল হোসাইন গোপালগঞ্জের রাবেয়া-আলী গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ ভাষা শহীদদের প্রতি নোবিপ্রবি বিএনসিসি গার্ড টিমের শ্রদ্ধা নিবেদন মৌলভীবাজার অনলাইন প্রেসক্লাবে‘র উদ্যোগে মহান শহিদদের স্বরণে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পন রাজশাহীর বাঘায় সাংবাদিক কে হাত-পা বেঁধে নির্যাতন থানায় অভিযোগ

মহানবী (সা.)-এর ৪৩তম বংশধর রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ!

অনলাইন ডেস্কঃ

বতর্মানে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর বংশধর কেউ বেঁচে আছেন কিনা সেটা নিয়ে বেশ তর্ক বিতর্ক হয়ে থাকে। কিন্তু নতুন আরেকটা ইস্যু আলোচনার কেন্দ্রে আসছে। কয়েক বছর ধরে অনুসন্ধ বা গবেসণা করে ঐতিহাসিকগণ দাবি করছে ব্রিটেনের রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ৪৩তম বংশধর।
১৯৮৬ সালে সর্বপ্রথম ব্রিটেনের রাজপরিবারের পূর্বপুরুষদের অস্তিত্ব ও জিন নিয়ে কাজ করা প্রকাশনা সংস্থা ‘বুর্খে পেরেজ’ এই দাবি উত্থাপিত করে। এরপর বিষয়টি নিয়ে অনেক ইতিহাসবিদদের মধ্যে বির্তক সৃষ্টি হয়। স¤প্রতি মরক্কোর একটি গণমাধ্যম রাণীর সঙ্গে মুহম্মদ (স)-এর উত্তরসূরীতার সুস্পষ্ট প্রমাণ রয়েছে বলে দাবি করে। তারা জানায়, মধ্যযুগীয় ম্পেনে মুর যুগের জিনতত্ত¡ বুর্খে প্রকাশনার দাবিকেই সমর্থন করে।
মরক্কোর গণমাধ্যমের সূত্র ধরে ডেইলি মেইলের খবরে বলা হয়, রাণী এলিজাবেথ তৎকালীন স্পেনের সেভেলির মুসলিম শাসকের বংশধর। এতে দেখা যায়, উমাইয়া শাসনামলে স্পেনে মুরদের আক্রমণের পর রাজা আবু আল কাসিম মোহাম্মদ ইবন আবাদ স্পেনের শহর সেভেলিতে শাসক (১০২৩ খ্রিষ্টাব্দ) হিসেবে অধিষ্ঠিত হন। আবু আল কাসিম ছিলেন মুহম্মদ (স) এর নাতি ইমাম হাসান বিন আলির ১১তম বংশধর। ১৩৭৫ সালে ইংল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করা রির্চাড অব কেনিসবুর্গ (আর্ল অব কেমব্রিজ ‘তৃতীয়’) ছিলেন আবু আল কাসিমের ১২তম বংশধর। তার নাতি চতুর্থ এডওয়ার্ড ছিলেন ইংল্যান্ডের রাজা। এডওয়ার্ডের অষ্টম বংশধর ছিলেন গ্রেট ব্রিটেনের রাজা প্রথম জর্জ। আর প্রথম জর্জের দশম উত্তরসূরীই রাণী এলিজাবেথ। মূলত ইমাম হাসানের রক্ত পর্তুগাল ও কাস্তিল ইউরোপীয় রাজাদের সূত্র ধরে ব্রিটিশ রাণীর কাছে এসেছে।
মিশরের সাবেক গ্র্যান্ড মুফতি আলি গোমাও রাণীর সঙ্গে মুহম্মদ (স) এর সংশ্লিষ্টতার সত্যতা নিশ্চিত করেন। এর আগে বুর্খে পেরেজ-এর নির্বাহী প্রকাশকের একটি তথ্যের ভিত্তিতে ব্রিটেনের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচার ১৯৮৬ সালে রাজপরিবারের নিরাপত্তা বৃদ্ধি জোরদার করেন। থ্যাচারের কাছে তিনি লিখেছিলেন, ‘নবী মুহম্মদ এর সঙ্গে রাজপরিবারের সরাসরি সম্পৃক্ততা তাদের মুসলিম সন্ত্রাসীদের থেকে নিরাপদে রাখবে না।’ ওই লেখায় তিনি আরো বলেন, ‘এই সংযোগ অত্যন্ত আশ্চর্যজনক একটি বিষয়। মুহম্মদ (সা.)-এর রক্ত রাণীর মধ্যে প্রবাহিত এটি খুব কম ব্রিটিশ নাগরিকই জানেন। যদিও সব মুসলিম ধর্মীয় নেতারা এই বিষয়ে গর্ব বোধ করবেন।’
বুর্খে পেরেজের দাবি অনূসারে, রাণীর রক্ত আসলে মুসলিম রাজকন্যা জাইদার থেকে এসেছে। জাইদা ১১শ শতকে নিজের শহর সেভেল থেকে পালিয়ে ক্রিশ্চিয়ান ধর্মে ধর্মান্তরিত হন। জাইদা ছিলেন সেনকোর পূর্বসূরী। এই সেনেকোর উত্তরসূরীই আর্ল অব কেমব্রিজকে বিয়ে করেছিলেন। কিন্তু ব্রিটিশ ম্যাগাজিন দ্য স্পেকটেটর বলছে, জাইদার বংশানুক্রম সন্দেহপূর্ণ। কোন ইতিহাসবিদের মতে তিনি মদ্যপানে আসক্ত রাজা আল মুতাবিদ ইবন আবাদ-এর মেয়ে ছিলেন। মুতাবিদ, মোহাম্মদ- ইবন আবাদের নাতি ছিলেন। আবার কারো মতে, জাইদা ওই পরিবারে বিয়ে করেছিলেন।
মরক্কোর আলেম আবদুল হামদ আল-আউউনি সেদেশের একটি পত্রিকায় এ খবরটিকে স্বাগত জানিয়ে লিখেছেন, এটা আমাদের দুই ধর্ম ও রাজ্যের মধ্যে একটি সেতু বন্ধন তৈরি করে। তবে সউদীর কয়েকজন ব্যক্তি এ বিষয়ে বলেন যে, এটা মুসলমানদের বিভ্রান্ত করার জন্য খ্রিষ্টানদের একটি প্রচারণা ছাড়া আর কিছুই না।
বাংলাদেশের কয়েকজন বিশিষ্ট আলেমের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বললে, শোলাকিয়া ইদগাহ-এর গ্র্যান্ড ইমাম, ইকরা বাংলাদেশের প্রিন্সিপাল মাওলানা ফরীদ উদ্দীন মাসউদ বলেন, বংশগতভাবে তিনি নবী কারিম সা. এর বংশের হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। তবে আমরা এ বিষয়ে গবেষকদের আলোচিত বংশধারা যাচাই করে বুঝতে পারবো বিষয়ের সত্যতা কতটুকু। রানীর বংশ জার্মান থেকে এসেছে। রাসুলের বংশের সঙ্গে মিললে আশ্চর্যের কিছু না। আর যায়দা বিবির কথা বলা হয়েছে তিনি কী আসলেই ইসলাম ধর্মের থেকে খ্রিষ্টধর্মে গিয়েছেন কী না আমরা ইতিহাস থেকে যাচাই করেই বলতে পারবো।
রাজধানী ঢাকার জামিয়া শায়খ জাকারিয়া মাদরাসার প্রিন্সিপাল, বিশিষ্ট বক্তা, লেখক গবেষক, মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদ বলেন, ইউরোপিয় গবেষকরা ইতিহাস ঘেটে বের করেছে রানী এলিজাবেথ রাসুল সা. এর বংশের। হ্যাঁ এমন হতে পারে অস্বাভাবিক কিছুই না। তবে আমরা বিষয়টা পর্যলোচনা না করে কিছু বলতে পারছি না। ইতিহাস অনেক বড় বিষয় এটা নিয়ে পাঠ প্রয়োজন।
ইউরোপিয়ান গবেষকদের লেখা বংশধারা: হযরত মুহাম্মদ সা. এর মেয়ে ফাতেমা রা. এর সন্তান হাসান ইবনে আলী, হাসান ইবনে হাসান ইবনে আলী, জহরা বিনতে হুসেনের পুত্র নউম আল-লখমী, তার পুত্র তায়ফ ইবনে নাঈম, ইত্তফ ইবনে নায়িমের পুত্র আসলান ইবনে আওয়ামী। আমির ইবনে আসলানের পুত্র ইশতিয়াক ইবনে আমর, তারপুত্র আব্বাস ইবনে আমর তার পুত্র কোরেস ইবনে আব্বাস ইবনে আবু আল কাসিম মোহাম্মদ ইবনে আব্বাস সেভিলের রাজা।
আব্বাস দ্বিতীয় আল মুত্তাদ্দিদ, তার ছেলে আল মুয়াতামিদ ইবনে আব্বাস আল-মু’তামীদ এর কন্যা যায়দা। যায়দার পুত্র সানচো অ্যালফোন্সজ, এখান থেকে খ্রিষ্ট বংশধারা শুরু হয়ে মিলিত হয়েছে ইংল্যান্ডের রাজা হ্যানওভার আয়ারল্যান্ডের মেয়ে স্কট মেরি রানী (১৫৪২-১৫৮৭) জেমস ভি, স্কট অফ দ্য স্কট এর মেয়ে, জর্জ গ্রেট ব্রিটেনের রাজা সোফিয়ার ইলেক্ট্রেস হ্যানোভার ও জর্জ দ্বিতীয় ব্রিটেনের জর্জ আই কিং ও ফ্রেডেরিক এর বংশ হয়ে প্রিন্স অফ ওয়েলসের পুত্র জর্জ দ্বিতীয় ফ্রেডরিকের পুত্র হয়ে মিলিত হয় ব্রিটেনের সপ্তম রাজা এডওয়ার্ড এর সঙ্গে। এর পর তার বংশধর ভিক্টোরিয়া জর্জ ভি এর বংশ ঘুরে যুক্তরাজ্যের রানীর বংশের সঙ্গে মিলিত হয়।

সূত্র : অনলাইন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আর্কাইভ

MonTueWedThuFriSatSun
   1234
19202122232425
26272829   
       
22232425262728
293031    
       
      1
16171819202122
3031     
   1234
19202122232425
2627282930  
       
293031    
       
     12
3456789
17181920212223
       
  12345
2728293031  
       
  12345
6789101112
13141516171819
2728     
       
      1
3031     
   1234
19202122232425
262728293031 
       
282930    
       
     12
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31      
   1234
567891011
2627282930  
       
15161718192021
293031    
       
    123
45678910
       
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930   
       
      1
9101112131415
3031     
    123
45678910
18192021222324
252627282930 
       
 123456
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
 123456
28      
       
     12
17181920212223
31      
  12345
6789101112
20212223242526
2728293031  
       
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930     
       
    123
11121314151617
25262728293031
       
  12345
27282930   
       
      1
3031     
   1234
567891011
       
       
       
    123
45678910
       
  12345
20212223242526
27282930   
       
     12
3456789
       
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  
       
All rights reserved © 2020-2023 dainikparibarton.com

অনুমতি ব্যতিত এই সাইটের কোনো কিছু কপি করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।